Showing posts with label জলজ উদ্যান. Show all posts
Showing posts with label জলজ উদ্যান. Show all posts

Thursday, December 15, 2022

ছাদে জলজ উদ্যান করার নিয়ম

ছাদে জলজ উদ্যান করার নিয়ম

 


ছাদে জলজ উদ্যান করার নিয়ম :

প্রয়োজনীয় উপকরণ :

১.২৪ ইঞ্চি ব্যাসের চারি বা বড় পানির পাত্র যা সাধারণত গরুকে পানি খাওয়ানোর জন্য ব্যবহার হয় । কুমারদের কাছে পাওয়া যাবে । দাম কমপক্ষে ৩০০ টাকা । সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা । ঢাকার গাবতলীর কাছে পালপাড়ায় কুমাররা বিক্রয় করে । আপনার এলাকায় খোজ নিলে পাবেন ।

২. সিএনজি চালিত অটোরিক্সার পুরাতন চাকা । দাম ৩০ হতে ৬০ টাকা ।

৩. দেড় বা দুই কেজি ওজনের রসমালাই রাখার বাটি যাতে বেলে দোয়াশ মাটি রাখতে । ৪. জলজ উদ্ভিদ । যেমন : শাপলার কন্দ বা চারা গাছ । মাখনার চারা গাছ । অথবা বিভিন্ন ধরনের জলজ উদ্ভিদ ।

ছাদে স্হাপন করার নিয়ম :

১. রৌদ্র পরে ও আলো পাওয়া যাবে এমন স্হান সিএনজির পুরাতন চাকাটা স্হাপন করুন । সিএনজির চাকাটার উপর ২৪ ইঞ্চি ব্যাসের চারিটা স্হাপন করুন ।

২. রসমালাইয়ের বাটি বেলে দোয়াশ মাটি দিয়ে ভরাট করুন ও পানি দিয়ে দুই দিন ভিজিয়ে রাখুন । দুই দিন পর শাপলা অথাব যে কোন জলজ উদ্ভিদ লাগান ।

৩. চারিটা পানি দিয়ে পূর্ণ করুন ।

৪. চারির পানির মধ্যে জলজ উদ্ভিদসহ রসমালাইলের বাটিটা ডুবিয়ে দিন । এভাবে সর্বোচ্চ তিনটা রসমালাইয়ের বাটি ডুবিয়ে দেওয়া যেতে পারে ।

৫. যখন পানি ময়লা হবে তখন পানি বদল করুন প্রয়োজন অনুযায়ী । গাছের পাতা বেশি হলে কমিয়ে দিন ।

 

Sunday, November 15, 2020

রূপগঞ্জের কুলাদি বিলের সৌন্দর্য

রূপগঞ্জের কুলাদি বিলের সৌন্দর্য

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জের কাঞ্চন ব্রিজের পাশেই আছে শাপলা ফুলের বিল । বহিরাগতরা ‘শাপলার বিল’ নামে চিনলেও এর মূল নাম শিমুলিয়া কুলাদি বিল। তিন ধরনের শাপলা জন্মে এ বিলে—লাল, সাদা ও বেগুনি রঙের। তবে লাল শাপলাই বেশি। সাধারণত আগস্ট থেকে অক্টোবর পর্যন্ত বিলে শাপলা থাকে। সেপ্টেম্বর মাস বেড়ানোর উত্তম সময় ।
সেখানে বেশ কয়েকটি ছোট নৌকা রয়েছে, চাইলে সেগুলোতে ঘুরে বেড়াতে পারেন ঘণ্টা চুক্তিতে। উপভোগ করতে পারেন শাপলা ফুলের সৌন্দর্য । অবস্হান : শাপলা বিল - শিমুলিয়া , রুপগঞ্জ,নারায়ণগঞ্জ । কাঞ্চন ব্রিজের নিচ দিয়ে হাতের বাম দিকে পুর্বাচল সেক্টর ৪ এর পর মালুম সিটির কাছে । 

যাতায়াত : কুরিল বাসস্টপ থেকে কার - ৬০ টাকা জন প্রতি – কাঞ্চন ব্রীজ । অথবা এসি বিআরটিসি বাসে ৯০ টাকা জন প্রতি কাঞ্চন ব্রীজ । তারপর অটো রিক্সা ২০/২৫ টাকা নিবে জনপ্রতি শিমুলিয়া যেতে । বলতে হবে শিমুলিয়া কুলাদি বিল/শাপলা বিল যাবো । তারপর নেমে নৌকা করে বিলে মালুম সিটির পর আদর্শ সিটির পেছন দিকটা বিস্তর লাল শাপলার বিল ঘুরতে হবে । 

 দিক নির্দেশনা : 
১.সাঁতার না জানলে ২৫০ টাকা দিয়ে লাইফ জ্যাকেট কিনে সাথে করে নিয়ে যেয়ে নৌকা উঠার আগেই পরে নিতে হবে । 
২.সেপ্টেম্বর মাস ঘুরার উত্তম সময় । এই সময় গেলে শাপলা, পদ্ম ও কাশ ফুলও দেখা যাবে । 
৩. বিলের আসল সৌন্দর্য দেখতে হলে অবশ্যই সুর্যের কিরন বিলে পরার আগে যেতে হবে ।সকাল ৭ টায় গেলে ফুটন্ত লাল শাপলা দেখা যাবে । ৯ টার লাল শাপলার পাপড়ি নিষ্প্রভ হয়ে যায় । 

যোগাযোগের ঠিকানা : বিলের পাশেই থাকেন মিয়া বক্স - ০১৭৭৪০০৯৭৫৪ যেতে চাইলে আগে উনার সাথে যোগাযোগ করে নিতে পারেন । 

 গুগল ম্যাপে বিলের সৌন্দর্যতম স্হানের অবস্হান : GPRS - 23.854262, 90.541736
জলজ উদ্যান

জলজ উদ্যান

জলজ উদ্যান ( Water garden ) সম্পর্কে আমাদের দেশের লোকদের ধারণা নেই বল্লেই চলে ।
আর জলজ উদ্যান বানানোর উদ্যোগও নেওয়া হয় না । কিন্তু জলজ উদ্যান বাগানের ও বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি এর অনেক উপকারীতা আছে । যেমন : 
১.জল উদ্যান যে বাড়িতে থাকে সেই বাড়ি গরমের সময় ঠান্ডা থাকে । 
২.জল উদ্যানের কিছু অংশ একুরিয়াম হিসেবে ব্যবহার করা যায় । 

৩.জল উদ্যানে সীমিত আকারে মাছ চাষ করা যায় । 

৪. জল উদ্যান মনে প্রশান্তি আনে । 

৫.জল উদ্যান বাড়ির সৌন্দর্য্য অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে । জল উদ্যান বানাতে বেশী জায়গা লাগে না । মাত্র ৪ ফুট দের্ঘ্য ও প্রস্হের ডোবা দিয়েই সুন্দর জল উদ্যান বানানো সম্ভব । দের্ঘ্য ও প্রস্হে ৫০ ফুটেরও কম পুকুর বা ডোবাকে জল উদ্যান ( Water garden ) - এ পরিনত করা যায় । এজন্য পুকুরটার চারপাশে গাছ ও পাথর ব্যবহার করতে হবে । 

বাংলাদেশের সাদা-লাল-নীল-বেগুনী শাপলা ও মাখনা এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শাপলা জাতীয় উদ্ভিদ আমাজান লিলি দিয়ে পুকুরটাকে সাজাতে হবে ।
বুড়িচংয়ের ছয়গ্রামে হেমন্তেও সৌন্দর্য বিলাচ্ছে সাদা শাপলা ফুল

বুড়িচংয়ের ছয়গ্রামে হেমন্তেও সৌন্দর্য বিলাচ্ছে সাদা শাপলা ফুল

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ছয়গ্রাম গ্রামে ফুটে আছে জাতীয় ফুল শাপলা। বর্ষা, শরৎ পেরিয়ে হেমন্তেও আপন সৌন্দর্য বিলিয়ে দিচ্ছে এই ফুল। বর্ষার শেষে বাংলাদেশে আনাচে-কানাচে বিলের পানিতে দলবেঁধে ফুটে শাপলা। সাধারণত বর্ষা মৌসুমে লাল শাপলার ছড়াছড়ি দেখা গেলেও শরৎ হেমন্তে সাদা শাপলাই চোখে পড়ে বেশি।
শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। নদী বাদ দিয়ে বাংলাদেশের প্রায় সব জলাশয়ে শাপলা ফুল ফুটতে দেখা যায়। এ কারণেই সাদা এই ফুল বাংলাদেশের জাতীয় ফুলের মর্যাদা পেয়েছে। বদ্ধ জলের উপর ভেসে থাকে শাপলা ফুল আর তার বড় সবুজ পাতা। বাংলাদেশের মাত্র কয়েক প্রজাতির শাপলা দেখা গেলেও সারাবিশ্বে ৩৫ প্রজাতির শাপলা ফুল রয়েছে। আমাদের দেশে সাদা এবং গোলাপী শাপলাই বেশি দেখা যায়। শাপলা বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় সবজিও। বর্ষায় বিল থেকে শাপলা তুলে বাজারে বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করে অনেকেই। বাংলাদেশের মুদ্রায়, টাকায় এবং দলিলপত্রে জাতীয় ফুল শাপলার ছবি বা জলছাপ দেখা যায়। শ্রীলংকার জাতীয় ফুলও শাপলা। প্রাচীনকালে গ্রীক জলপরী দেবীর উদ্দেশ্যে এই ফুল উৎসর্গ করা হতো। সেই থেকে এর নামকরণ। খ্রীস্টপূর্ব ২৫০০ বছর পূর্বে মিশরের এক ধ্বংসাবশেষে শাপলা ফুলের মতো একটি ছবি পাওয়া যায়। ধারণা করা হয় প্রাচীর যুগে মিশরে শাপলা ফুলের চাষ হতো।

আজকের কুমিল্লা ডট কম : ডিসেম্বর ৫, ২০১৯

Monday, October 5, 2020

Monday, January 27, 2020

সোনকাটা সমুদ্র সৌকত

সোনকাটা সমুদ্র সৌকত

সোনাকাটা সমুদ্র সৈকত বরগুনা জেলার তালতলীতে অবস্থিত।


 

সোনাকাটা সমুদ্র সৈকত ও সোনাকাটা ইকোপার্ক একই স্থানেই অবস্থিত। এখান থেকে ইকোপার্কের অনাবিল সৌন্দর্যসহ সমুদ্র সৈকতের সূর্য অস্ত সুন্দর ভাবে দেখা যায়।