Showing posts with label ক্যারিয়ার. Show all posts
Showing posts with label ক্যারিয়ার. Show all posts

Sunday, December 18, 2022

বার কাউন্সিলের এম সি কিউ পরীক্ষার প্রস্তুতি

বার কাউন্সিলের এম সি কিউ পরীক্ষার প্রস্তুতি

 




বার MCQ সকল পরীক্ষার্থীর উদ্দেশ্য আমার খোলা চিঠিঃ-

আগে নিজেকে স্থির করুন এ লাইনে আপনি ক্যারিয়ার করতে চান কিনা? যদি চান তাহলে যত ব্যস্তই থাকুন নিয়ম করে প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় নিজে একা বাসায় পড়ালেখা করুন।

বার কাউন্সিল এর বিগত MCQ প্রশ্নের ধরন বুঝার চেষ্টা করুন।

যে বিষয়গুলো বুঝবেন না পৃথক খাতায় সেগুলো নোট রাখুন। এখানে একটু বলে রাখি কোন অভিজ্ঞ বলে থাকেন বেয়ার এ্যাক্ট (মূল আইন বই) না পড়লে আপনি ফেল আবার কোন অভিজ্ঞ বলে থাকেন মুল বই না পড়ে গাইডের উপর জোর দিন। আমার দৃষ্টিতে দুটাই ভূল ধারনা। এক্ষেত্রে আমার পরামর্শ হলো আপনি বাজার হতে ভালো মানের একটি গাইড কিনে পড়বেন এবং পাশাপাশি মূল বই কাছে রাখবেন। অথার্ৎ আমি গাইড বই এর পাশাপাশি মূল বই রাখার পরামর্শ দিচ্ছি। কারন পড়ায় সময় যেটা গাইড বইতে আপনার অস্পষ্ট মনে হবে কিংবা আরো অধিক তথ্য জানতে চান তখন সাথে সাথে আপনি মূল বইটি একটু চোখ বুলিয়ে নিলেন।

আপনার সুবিধা অনুযায়ি নোটকৃত বিষয় বুঝতে কোন বড় ভাই, বন্ধু বা ভালো কোচিং সেন্টারের সহযোগীতা নিন। তবে শর্ত হলো আগে নিজে বাসায় পুরো ৭টা বিষয় পড়ে শেষ করুন তারপর যে বিষয়টি বুজতে পারছেন না সেটার বিষয়ে কোচিং এর সহযোগিতা নিন।

এরপর আপনি নিজে যখন মনে করবেন সকল বিষয়ে আপনার একটি ভালো ধারনা তৈরী হয়েছে তারপর আপনি বিগত সনের সকল বার MCQ পরীক্ষার সমাধান করুন। এবং বাজারে বিভিন্ন মডেল টেষ্টের বই সংগ্রহ করে প্রতিদিন অনতত একটি মডেল টেষ্ট দিন। এই মডেল টেষ্ট দিতে গিয়ে আপনি আবার নতুন নতুন সমস্যায় পড়বেন তখন সে বিষয়গুলো আবার সমাধান করার চেষ্টা করুন এভাবে পরীক্ষা না দেওয়া পর্যন্ত চালাতে থাকুন কারন আইনের এ বিষয়গুলো হচ্ছে এমন যে আপনি গ্যাপ দিলে জানা বিষয়ও ভুলে যাবেন সুতরাং আপনাকে নিয়মিত পড়ে যেতে হবে। শুধু তাই নয় আপনার আশে পাশে যারা বার পরীক্ষার্থী রয়েছে সম্ভব হলে প্রতিদিন তাদের সাথে ৩০ মিনিট পড়ার বিষয়ে আলোচনা করুন দেখবেন নতুন নতুন বিষয় আপনি জানতে পারছেন।

প্রতিদিন যে বিষয়ে পড়লেন সে বিষয় হাটতে - চলতে- কাজ করতে মনে মনে রিভিশন দিন। প্রয়োজনে মোবাইলে স্কৃনশর্ট রাখুন।

নিয়মিত নামাজ পড়ে আল্লাহর কাছে সাহায্য চান।

শর্টকাট পাশ করার বিভিন্ন চিন্তা পরিহার করুন।

চটকদার বিজ্ঞাপন সম্বলিত কোচিং সেন্টার / ব্যক্তিকে পরিহার করুন। কারন এ গ্রুপে এমন অনেক পাবেন যে আপনাকে পাশ করার নিশ্চয়তা দিয়ে পড়াবে। মনে রাখতে হবে পড়া কিন্তু আপনাকে শেষ করতে হবে এরা কেউই গিয়ে আপনার পরীক্ষা দিবে না। সুতরাং আপনি ফেল করলে তখন আপনাকে শুনতে হবে "আপনি আমাদের পরামর্শ অনুযায়ি পড়েন নি আমার অন্য সকল ছাত্র তো পাশ করেছে"।

বার কাউন্সিল কর্তৃপক্ষকে নিয়ে অহেতুক মন্তব্য না করে সে সময়টা পড়াতে কাজে লাগান। কারন এ বিষয়ে মন্তব্য করা বোকামি ছাড়া আর কিছু নয়।

সকল পরীক্ষার্থীর জন্য দোয়া ও শুভকামনা

-------------------------------------------

মোঃ সাইফুল ইসলাম (ফয়সাল)

ইনকাম টেক্স প্রেকটিশনার ও

বার ভাইভা পরীক্ষার্থী।

Friday, June 25, 2021

বই লিখে আয়

বই লিখে আয়

একটি তথ্যভিত্তিক বই এর প্রকাশনায় যা খরচ হয় সাধারণত তার সমপরিমাণ লভ্যাংশ যোগ করে বিক্রয় করা হয়। ঢাকায় বই এর অনেক কাটতি রয়েছে এমন ৫০ এর অধিক দোকান খোঁজে পাওয়া যাবে (নিউ মার্কেট, নীলক্ষেত, শাহবাগ, পল্টন, গ্রিন রোড, ফার্মগেট, মৌচাক, মালিবাগ, উত্তরা, মিরপুর ১০, কমলাপুর, বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন, টঙ্গী, যাত্রাবাড়িসহ আরোও অনেক স্থানে একাধিক ভালো পরিমাণ বই বিক্রয়কারি ফুটপাতের বই বিক্রেতাদের প্রত্যেকে এককভাবে মাসে আপনার ১০টি বই বিক্রয় করে দিতে পারলে আপনার মাসিক আসবে ১০ টাকা করে হলেও ১০x১০x৫০=৫০,০০০ টাকা। দেশের সকল জেলা শহরের লাইব্রেরিসমূহ, রেলওয়ে স্টেশনের বই এর দোকানসমূহের কথা বাদই রাখলাম।
এবার আসুন প্রথম কথায়- বই লেখার সময় পাবেন কই??? ১ ঘন্টা সময় আপনার আগ্রহের বিষয়ের তথ্যানুসন্ধানে # গুগল # পাবলিক লাইব্রেরি # পুরনো পত্রিকা # সে বিষয়ের কয়েকজন বিশেষজ্ঞের সাথে সাক্ষাৎ # লেখা গোছানো- এ কাজগুলো করলে প্রতি তিন মাসে ৯০ ঘন্টা সময়ে কি একটি পছন্দের বিষয়ের অনেক তথ্যপূর্ণ একটি বই লেখা হয়ে উঠবে না? আরেকটা সহজ হিসেব : ৮০ পৃষ্ঠার বই লিখবেন যাতে প্রতি পৃষ্ঠায় ৩২০ শব্দ থাকলে মোট শব্দ হবে বইটাতে ২৫ হাজার ৬ শত । ২৫০ শব্দ প্রতি দিন লিখে বইটা ১০০ দিনে লিখে শেষ করতে পারবেন । ৫ বছরে আপনার ১০টি বই প্রকাশিত হলে আর তা থেকে মাসিক ৫ হাজার করে টাকা এলে আপনি কিন্তু মাসিক আয় করবেন ৫০ হাজার টাকা। আর লেখক হিসেবে সুনাম বলে কিছু তো রেখে গেলেন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে । যা অন্য অনেক পূর্ণ সময় পেশাতেও সম্ভব না। ভাল একটা অনুপ্রেরণামূলক বই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখতে কয়েক শতক । যত দিন আপনার বইয়ের আবেদন থাকবে । বিষয়ের আবেদন থাকবে ।

Thursday, June 24, 2021

লড়াই করো - মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যেয়ো না

লড়াই করো - মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যেয়ো না

 শক্তি রেখে চলে তারা কখনো হারে না । 
ব্যর্থতা একটা পরীক্ষা মাত্র – স্বীকার করো । 
কী ঘাটতি রয়েছে – দেখো, 
পূরণ করো যতক্ষণ না সফল হও । 
 শান্তির ঘুম ত্যাগ করো । 
 লড়াই করো – মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যেয়ো না । 
 কিছু না করলে জয়ধ্বনি শোনা যায় না । 
 যে শক্তি রেখে চলে সে হারে না কখনো ।

Monday, November 30, 2020

লেখক হওয়ার একুশ উপায়

লেখক হওয়ার একুশ উপায়

১. টিভি বন্ধ করে বই নিয়ে বসো। সৃজনশীলতার জন্য টিভি হলো বিষস্বরূপ। টিভি দেখা সময়ের অপচয়। বই পড়ায় ব্যয় করতে হবে বেশি সময়। ব্যাপকভাবে বিস্তৃত বিষয়ে পড়তে হবে, সময় পেলেই পড়তে হবে। বই হবে সর্ব সময়ের সঙ্গী। 

২. সমালোচনা ও ব্যর্থতার জন্য প্রস্তুত থাকো। লিখলে লোকজন তা পাঠ করবে এবং কেউ কেউ সমালোচনা করবে। আবার কখনো কখনো লেখা ছাপা হবে না বা কেউ পড়বে না। কিন্তু এসবের জন্য দমে গেলে চলবে না। 

৩. অন্যকে সন্তুষ্ট করার জন্য নয়; বরং নিজের দায়িত্ববোধ থেকে লেখো। সত্য বলতে হবে, তা যত তিক্তই হোক। নিজের বিবেক ও প্রজ্ঞাকে কাজে লাগাও।
৪. প্রাথমিকভাবে নিজের জন্য লেখো। লেখাটাকে আনন্দের বিষয় করে নিতে হবে। যা ভালো লাগে, তা-ই নিয়ে লেখো। নিজের ওপর কোনো জিনিস জোর করে চাপিয়ে দেবে না যা থেকে বিরক্তি উৎপন্ন হয়। 


৫. কঠিন সমস্যা নিয়ে চিন্তা করো, আড়ালে থাকা বিষয়কে তুলে আনো। জীবন ও সমাজের কোনো জটিল সমস্যার ওপর আলোকপাত করে, যা সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। 

৬. লেখার সময় সমস্ত জগৎ থেকে নিজেকে বিচ্ছিন্ন করো। যখন লিখতে বসবে, তখন লেখা ছাড়া অন্য কোনো বিষয়ের প্রতি মনোযোগ দেবে না। জাগতিক ঝুটঝামেলা থেকে মুক্ত হয়ে একাগ্রচিত্তে লিখতে হবে।
 
৭. পাণ্ডিত্যের ভান করবে না। অযথা গুরুগম্ভীর শব্দ ও জটিল বাক্য ব্যবহার করে অন্যকে চমকিত করার চেষ্টা কোনো কাজের বিষয় নয়। অকারণে ঘুরিয়ে-পেঁচিয়ে বলার অভ্যাস পরিহার করো। 

৮. ক্রিয়াবিশেষণ (যেমন অত্যন্ত অসাধারণভাবে ) কম ব্যবহার করবে এবং অনুচ্ছেদ ছোট রাখবে। অধিক ক্রিয়াবিশেষণ ভ্রান্তি এবং লম্বা অনুচ্ছেদ চোখের জন্য ক্লান্তিকর। 

৯. গল্প লেখার সময় কাহিনির দিকে নজর দেবে, ব্যাকরণের দিকে নয়। কাহিনিকে মনোগ্রাহী ও রসমণ্ডিত করার জন্য যে রকম শব্দ যেভাবে ব্যবহার করা প্রয়োজন ঠিক তা-ই করতে হবে। 

১০. শৈল্পিক বর্ণনার কৌশল রপ্ত করো। সঠিক শব্দ ও বাক্যে স্পষ্ট ও উজ্জ্বলভাবে বিষয় ও ঘটনার বিবরণ দিতে হবে যাতে তা পাঠকের মনে রেখাপাত করে। প্রয়োজনে ভাষিক অলংকারের আশ্রয় নাও। 

১১. গল্পকে বেশি তথ্যবহুল করবে না। গল্পকে তথ্যে ভারী করে ফেললে তা গল্পের মজাকে হরণ করে, পাঠকের মনোরঞ্জনে ব্যর্থ হয়। চরিত্রায়ণ ও ঘটনাবিন্যাস বেশি প্রাধান্য পাবে। 

১২. মানুষজন বাস্তবে কী করে তা নিয়েই গল্প ফাঁদো। বাস্তব থেকে গল্পের উপাদান গ্রহণ করো, তাতে কল্পনার রং লাগাও, আখ্যানকে বিশ্বাসযোগ্য করে তোলো। 

১৩. নতুন বিষয় নিয়ে লেখো। পুরোনো বিষয় নিয়ে চর্বিত চর্বণের কোনো অর্থ হয় না। যা মানুষ কখনো ভাবেনি তা নিয়ে লেখো। ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে দেখো ও লিখো। ঝুঁকি নিতে পিছপা হবে না। 

১৪. লেখক হওয়ার জন্য মাদকের আশ্রয় নেবে না। মাদকে মাথা খোলে—এটা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। বরং মাদক গ্রহণে মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়, চিন্তায় পঙ্গুত্ব আসে। 


১৫. অন্য কোনো লেখককে হুবহু অনুকরণ করে লিখবে না। নিজের স্টাইল তৈরি করো। নিজের ধ্যানধারণা থেকে নিজের মতো করে লিখো, স্বকীয়তা নিয়ে। 


১৬. শব্দ ও বাক্যের মাধ্যমে তোমার ধারণাগুলো পাঠকের মনে সঞ্চারিত করো। লেখার সময় কোন ধরনের পাঠকের জন্য লিখছ, তা মাথায় রাখো, আর তোমার ধারণাগুলো তাদের উপযোগী করে প্রকাশ করো। 

১৭. লেখালেখিকে গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করো। লেখাকে করতে হবে ধ্যানজ্ঞান। একমাত্র সাধনা। দায়সারা কাজ অকাম্য। লেখালেখির বিষয়ে যে যত সিরিয়াস, সে তত সফল। 

১৮. প্রতিদিন কিছু না কিছু লেখো। বই পড়াকে যেমন, তেমনি লেখালেখিকেও নিত্যকার অভ্যাসে পরিণত করতে হবে। লিখতে লিখতে লেখায় হাত আসে। 

১৯. কোনো কিছু লেখার পর সেটি পুনরায় দেখো। নিজের লেখার প্রথম পাঠক হবে নিজেই। সমালোচকের দৃষ্টি দিয়ে নিজের লেখা ব্যবচ্ছেদ করো। আর এটা করতে হবে নির্দয়ভাবে। 


২০. নিজের শরীর ও মনের যত্ন নাও। শরীর সুস্থ থাকলে এবং মনে সুখ থাকলে লেখালেখি সহজ হয়। পারিবারিক জীবনে শান্তি এ ক্ষেত্রে বিশেষভাবে সহায়ক। 


২১. চেষ্টা করো তিন মাসে একটি বইয়ের খসড়া সম্পন্ন করতে। প্রতিদিন ১০ পৃষ্ঠা করে লিখলে, তিন মাসে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার শব্দ হয়ে যায়। তারপর সেটিকে পরিমার্জন করে প্রকাশের উপযোগী করতে আরও কয়েক মাস লেগে যাবে। বুঝতেই পারছ, লেখক হওয়ার জন্য নিষ্ঠা ও অধ্যবসায় কতটা জরুরি! মূল: স্টিফেন কিং

Wednesday, November 18, 2020

Sunday, January 26, 2020

১০০ দিনে বই লেখার সহজ ৪ টি উপায়

১০০ দিনে বই লেখার সহজ ৪ টি উপায়


বই লিখতে চান? কিন্তু আর হয়ে উঠছে না? ১০০ দিনে বই লেখার সহজ ৪ টি উপায়

লেখকঃ ব্রাডন টারনার

মানুষের বিভিন্ন ইচ্ছার মধ্যে কারো কারো বই লেখার স্বপ্ন থাকে। অনেকের কাছেই বই লেখা একটি বিশাল যজ্ঞ বা রকেট চালানোর মত দুরূহ কাজ। কিন্তু আমি এটা পেরেছি। গত সোমবার আমার বই Two new books on investing in rental properties প্রকাশিত হয়েছে যেটি আমি ১০০ দিনের মধ্যে লিখেছি- ফলাফল ২২০,০০০ শব্দ যার মধ্যে ১৬০,০০০ আমার নিজের বাকী ৬০,০০০ আমার অসাধারণ স্ত্রী হেথারের।

আমি কোনো পেশাদার লেখক নই। আমি শুধু একটি সহজ পন্থা অবলম্বন করেছি। আপনারা ও এই সহজ ৪ টি ধাপ অবলম্বন করে ১০০ দিনের মধ্যে নিজের বই লিখতে পারবেন।

প্রথম ধাপঃ আর্নল্ড এর মত প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

আপনারা কী আর্নল্ড শোয়ারজেনেগার এর পুরনো ভিডিও গুলো দেখেছেন? তিনি যা ই করেছেন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ছিলেন বলেই পেরেছেন। আমরা কোনো কিছু পাবার আগে সেটা কতটা চাই তা গুরুত্বপূর্ণ নয়, গুরুত্বপূর্ণ তা পাবার জন্য কী করছি। এই ব্যাপারে আমার প্রিয় মাইকেল জর্ডান এর একটি উক্তি হল, “কিছু মানুষ চায় এটা হউক, কিছু মানুষ প্রার্থনা করে যেন এটা হয়, আর কিছু মানুষ এটা করে দেখায়”।

দ্বিতীয় ধাপঃ শব্দ সংখ্যা ঠিক করে নেয়া

আপনার বইয়ে কতগুলো শব্দ থাকবে?
সাধারণত বইয়ে ৬০,০০০ থেকে ১০০,০০০ এর মত শব্দ থাকে। আপনার নির্ধারিত সংখ্যা যাই হউক সেটাকে ১০০ দিয়ে ভাগ করুন যাতে করে প্রতিদিন কতটুকু লিখতে হবে তার ধারণা পাওয়া যায়। সেই সংখ্যাই হবে আপনার জন্য ন্যুনতম। যেমনঃ আপনি যদি ১০০,০০০ শব্দ লিখতে চান তাহলে প্রতিদিন আপনাকে ১,০০০ টি শব্দ লিখতে হবে। শুধু সংখ্যা নির্ধারণ করলেই হবে না আপনি কী লিখবেন তা নিয়ে চিন্তা ও করতে হবে।

তৃতীয় ধাপঃ MapQuest এর মত সীমারেখা তৈরি করা

আপনি আপনার বইয়ের জন্য শব্দের সীমা ঠিক করে ফেলেছেন এখন হল মূল কাজ হল বর্ণনার একটি অসাধারণ সীমারেখা তৈরি করা। অনেকেই সীমারেখার ব্যাপারটা জানেন কিন্তু আমি আরেকটু গভীরে বলতে চাই। আমি চাই আপনারা আগের দিনের স্কুলের MapQuest এর মত একটি সীমারেখা তৈরী করেন। আগের দিনে যখন স্মার্টফোন ছিল না তখন কোনো পার্টিতে যাবার জন্য আপনি কী করতেন? আপনার বাবার কম্পিউটার থেকে MapQuest থেকে ধাপে ধাপে ১৩ পৃষ্ঠার দিক নির্দেশনা প্রিন্ট করে নিতেন যাতে করে আপনি হারিয়ে না যান।
যখনই আমি বই লেখার সিদ্ধান্ত নেই তখন থেকে আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে Starbucks এ যেতাম, হুইপড ক্রিম দেয়া হট চকলেট এর স্বাদ নিতাম এবং আমার লেখা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ফিরতাম না।

সব শেষে আমি ১০০ টি সাব-চ্যাপ্টার লিখেছিলাম। যেহেতু আমি জানতাম যে আমাকে ১০০ দিনে বইটি শেষ করতে হবে তাই প্রতি দিন আমাকে কমপক্ষে একটি সাব-চ্যাপ্টার লিখতে হবে যাতে ১,০০০ টি শব্দ থাকবে। এভাবেই আমি ধীরে ধীরে ১০০ দিনে ১০,০০০ শব্দের বইটি লিখতে পেরেছিলাম যা আমার কাছে আর কঠিন মনে হয় নি।

আপনার যদি সীমারেখা তৈরি করা হয়ে থাকে তবে মনে করুন কঠিন কাজ শেষ। এখন যা কাজ বাকী তাতে সময় লাগবে ঠিকই কিন্তু তা অনেক সহজ।

চতুর্থ ধাপঃ কোনো অজুহাত ছাড়া প্রতিদিন লেখা

যত সমস্যাই হোক না কেন প্রতিদিন লিখতে হবে। হউক সেদিন আপনার জন্মদিন কিংবা আপনি খুব অসুস্থ। এতে করে আপনি বুঝতে পারবেন আপনি কী লিখতে যাচ্ছেন। আপনার লেখা শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাতে ঘুমাতে যাবেন না। এক্ষেত্রে আমি আগের চেয়ে এক ঘন্টা আগে ঘুম থেকে উঠার কথা বলব এবং আপনি তা পারবেন।

এই ব্যাপারে কিছু টিপস হলঃ

কাজের সাথে লেগে থাকাঃ

আপনাকে মনে রাখতে হবে আপনি ইতিমধ্যে ১০ ঘন্টা পার করে ফেলেছেন। আপনি যদি সব কিছু নির্ধারণ করে থাকেন তবে আপনাকে লেখা নিয়ে ভয় পেতে হবে না। এতে করে আপনার লেখা নিজ গতিতেই এগিয়ে যাবে।

মনে মনে ঠিক করে নেয়াঃ

এখন আপনি আর বই লিখছেন না আপনি সাব-চ্যাপ্টার লিখছেন। আমি প্রতিদিন ব্লগ পোষ্টের মত করে লিখতাম। আপনাকে ১০০ দিনের লেখা ভাগ করে নিতে হবে।

কোনো একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির জন্য লেখাঃ

আপনার ফেইসবুকে এ যান এবং এমন একজন বন্ধু খুঁজে বের করুন যে নিশ্চিতভাবে আপনার লেখা পড়বে। এখন তার ফেইসবুক থেকে তার ৮.৫/১১ ইঞ্চির একটি ছবি প্রিন্ট করে আপনার দেয়ালে টানিয়ে রাখুন। আপনি মনে করবেন যে আপনি কোনো বই লিখছেন না, আপনার বন্ধুর কাছে কোনো কাহিনী বা বিষয় বর্ণনা করছেন। এটি করে দেখবেন সব কিছু কতটা বদলে যায়।

বই লেখা অনেক কষ্টসাধ্য ব্যাপার আমি এটা অস্বীকার করব না। কিন্তু এটা অসম্ভব ও না। উপরের ধাপগুলো যদি মেনে চলেন তবে সহজেই আপনি আপনার বই লিখতে পারবেন।
1