Showing posts with label উদ্ভিদ বিজ্ঞান. Show all posts
Showing posts with label উদ্ভিদ বিজ্ঞান. Show all posts

Thursday, December 15, 2022

ছাদে সরিষা বাগান করার সহজ পদ্ধতি

ছাদে সরিষা বাগান করার সহজ পদ্ধতি

 


হেমন্ত কাল ও শীত কালে সরিষা বোনার সময়  

ছাদ বাগানে আজই সরিষা বপন করুন । মোটামোটি ০৫ দিনের মধ্যে এমন ফুল পাবেন এবং ৫০ দিন পর বোনাস হিসেবে সরিষা পাবেন ।

১২ ইঞ্চি টবে গোবর সার দিয়ে মাটি তৈরী করে এক চা চামচ সরিষা বপন করুন । সরিষা বপনের তিন দিন পর ছোট গাছ হবে । তারপর প্রতি দুই দিন পর পানি দিতে হবে ।

সরিষা ছাদ বাগানে স্হান দেওয়ার গুরুত্ব অনেক :

১. ফুল, পাখি ও মৌমাছির সমারোহ বৃদ্ধির জন্য ।

২. ত্বক, চুল ও স্বাস্থ্যের জন্য

৩. নিদ্রাহীনতা ও ক্যান্সার প্রতিরোধক

৪.শ্বাসকষ্টের প্রদাহ হ্রাস করে।

৫. রক্ত সঞ্চালন, হজম প্রক্রিয়া এবং হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।

৬. সেক্স পাওয়ার বাড়ানোর জন্য

৭. খুশকি দূর করে এবং চুল বৃদ্ধি করার জন্য

৮. চুল পাকা রোধ করার জন্য

৯. ত্বকের কালো দাগ দূর করার জন্য

১০ .ঠোঁটের শুষ্কতা দূর করে এবং ত্বকের প্রদাহ দূর করে।

১১. নাকের বদ্ধভাব দূর করার জন্য

১২. সরিষা খেতে সেলফি তোলার জন্য

ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি .....

 

Tuesday, December 1, 2020

গাজীপুরের ফুলদী গ্রামের তেঁতুল গাছ

গাজীপুরের ফুলদী গ্রামের তেঁতুল গাছ

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নের ফুলদী গ্রামের বেলাই বিল পাড়ে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে আনুমানিক ২৫০ বছরেরও বেশি বয়স্ক তেঁতুল গাছটি। গাছটি এক নজর দেখতে বিভিন্ন জায়গা থেকে ছুটে আসে মানুষ। ডালপালা ছড়িয়ে বেশ খানিকটা জমি দখল করে আছে গাছটি। দূর থেকে দেখে গাছটিকে কখনও মনে হয় বিরাট বটগাছ আবার কখনও মনে হবে তেঁতুল বাগান।
বৃদ্ধ এই গাছটির নিচে প্রতিদিন নানা বয়সী মানুষ শীতল হাওয়ায় প্রাণ জুড়ান। গাছটির পাশেই ফুলদী গ্রামের ঈদগাহ, ফুলদী গাউসিয়া সুন্নীয়া মাদরাসা, ফুলদী হাফিজিয়া মাদরাসা ও ফুলদী জামে মসজিদ। বিশাল তেঁতুল গাছটির মোটা ডালগুলো আশপাশের জমিতে ছড়িয়ে আছে। প্রতি বছর গাছটিতে তেঁতুলও হয় মোটামোটি ভালোই। স্থানীয়দের সুবিদার্থে তামান সরকার নামে এক সৌদী প্রবাসীর অর্থায়নে গাছটির চারপাশপাকা করা হয়েছে। গাছটির বর্তমান মালিক ফুলদি ঈদগাহ মাঠ কর্তৃপক্ষ।
টঙ্গি স্টেশন রোড বাস স্টপ হতে টঙ্গি ঘোড়ারশাল সড়ক হয়ে কাপাসিয়া মোড় বাস স্টপ নেমে রাস্তার বাম দিকে উত্তর দিকে কালিগঞ্জ কাপাসিয়া সড়ক দিয়ে ফুলদী গ্রামে গেলেই তেঁতুল গাছটি দেখা যাবে ।

Sunday, November 15, 2020

জলজ উদ্যান

জলজ উদ্যান

জলজ উদ্যান ( Water garden ) সম্পর্কে আমাদের দেশের লোকদের ধারণা নেই বল্লেই চলে ।
আর জলজ উদ্যান বানানোর উদ্যোগও নেওয়া হয় না । কিন্তু জলজ উদ্যান বাগানের ও বাড়ির সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার পাশাপাশি এর অনেক উপকারীতা আছে । যেমন : 
১.জল উদ্যান যে বাড়িতে থাকে সেই বাড়ি গরমের সময় ঠান্ডা থাকে । 
২.জল উদ্যানের কিছু অংশ একুরিয়াম হিসেবে ব্যবহার করা যায় । 

৩.জল উদ্যানে সীমিত আকারে মাছ চাষ করা যায় । 

৪. জল উদ্যান মনে প্রশান্তি আনে । 

৫.জল উদ্যান বাড়ির সৌন্দর্য্য অনেক গুণ বাড়িয়ে তোলে । জল উদ্যান বানাতে বেশী জায়গা লাগে না । মাত্র ৪ ফুট দের্ঘ্য ও প্রস্হের ডোবা দিয়েই সুন্দর জল উদ্যান বানানো সম্ভব । দের্ঘ্য ও প্রস্হে ৫০ ফুটেরও কম পুকুর বা ডোবাকে জল উদ্যান ( Water garden ) - এ পরিনত করা যায় । এজন্য পুকুরটার চারপাশে গাছ ও পাথর ব্যবহার করতে হবে । 

বাংলাদেশের সাদা-লাল-নীল-বেগুনী শাপলা ও মাখনা এবং পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শাপলা জাতীয় উদ্ভিদ আমাজান লিলি দিয়ে পুকুরটাকে সাজাতে হবে ।
বাংলাদেশি উদ্যান

বাংলাদেশি উদ্যান

প্রতিটা জাতির বাগান করার নিজস্ব পদ্ধতি আছে । আমাদের দেশ এক সময় শাসন করতো তুর্কি, মোঘল ও ইরানীরা । তারা তুর্কি , মোগল ও ইরানী বা পার্শি রীতি বাগান করতো । যেমন : লালবাগ কেল্লা গেলে দেখবেন ইরানী পদ্ধতিতে বাগান ।
কুরআনের আয়াতের বিষয়কে কেন্দ্র করে কুরআনিক গার্ডেন হচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে । বাংলাদেশিদের বাগান করার নিজস্ব পদ্ধতি নেই - এই কথাটা আমরা ভুল প্রমাণ করবো । বাংলাদেশিদের বাগান করার নিজস্ব পদ্ধতি আছে । আর তাহলো বাংলাদেশি উদ্যান । বাংলাদেশি উদ্যান বা Bangladeshi Garden বিষয়টি আমরা পর্যায়ক্রমে উপস্হাপন করবো । বাংলাদেশি উদ্যানে শুধু মাত্র বাংলাদেশি ফুল-গাছ-লতা-পাতা থাকবে । বর্তমানে এমন উদ্যান নেই । এই উদ্যান আমাদের মূল্যবোধ, আবহাওয়া ও মাটিকে ধারণ করবে । দেশিয় সব ধরনের উদ্ভিদ সুন্দরভাবে যথাযথ অবস্হান অনুযায়ী মনকাড়া অবস্হায় বাংলাদেশি উদ্যানে স্হান পাবে ।

Wednesday, November 11, 2020

টেংরাগিরি অভয়ারণ্য

টেংরাগিরি অভয়ারণ্য

 

টেংরাগিরি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য বা টেংরাগিরি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য বাংলাদেশে অবস্থিত একটি অভয়ারণ্য। এর স্থানীয় নাম ফাতরার বন ও অনেকের কাছে পাথরঘাটার বন কিংবা হড়িণঘাটার বন নামে পরিচিত। ২০১০ সালের ২৪ অক্টোবর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

সুন্দরবনের পর এটিই দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল ৪০৪৮.৫৮ হেক্টর ( ৪০ বর্গ কিলোমিটার )নিয়ে এই বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যটি গঠিত ।


 

Monday, January 27, 2020

সূর্যশিশির গাছ

সূর্যশিশির গাছ


সূর্যশিশির এক প্রকার পতঙ্গভুক উদ্ভিদ । এদের পাতায় থাকে চুলের মত কর্ষিকা। কর্ষিকার মাথা থেকে বের হয় আঠা। তাকে চকচকে শিশিরবিন্দুর মতো দেখতে মনে হয়। 
 
যখন এ সূর্যশিশিরে পোকারা আকৃষ্ট হয়ে গাছের কাছে যায়, কোন পাতায় বসে, তখন কর্ষিকা থেকে বের হওয়া এই আঠা আটকে ফেলে পোকাদের। এরপর কর্ষিকা গুটিয়ে শিকারকে পাতার মধ্যে ঢেকে ফেলে, ঠিক খাঁচার মত। পাতা থেকে নিঃসৃত তরল পোকাকে গাছের খাবার উপযোগী করে দেয়।